কুরআন পাঠের মাহাত্ম্য: অন্তরের পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক জাগরণ
কুরআন পাঠের মাহাত্ম্য: অন্তরের পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিক জাগরণ ©মোঃ আবদুর রহমান মিঞা [যে যেমন পারে, প্রতিদিন অন্তত কিছু আয়াত পাঠ করা উচিত। কারণ কুরআনের সাথে সম্পর্কই হলো প্রকৃত ঈমানদারের জীবনের মূল শক্তি।] মানবজীবনের প্রকৃত লক্ষ্য কেবল ভৌত উন্নয়ন বা পার্থিব সাফল্য নয়। মানুষ উদ্দেশ্যহীনভাবে পৃথিবীতে আসে নাই; বরং তার সৃষ্টির মূল লক্ষ্য হলো আত্মার পরিশুদ্ধি, নৈতিক উৎকর্ষ ও আল্লাহর নৈকট্য অর্জন। ভোগবাদ, বিলাসিতা ও প্রযুক্তিনির্ভর জীবনের প্রতিযোগিতায় ডুবে গিয়ে আধুনিক মানুষ প্রায়ই ভুলে যায় যে আসল শান্তি টাকা-পয়সা বা ভৌত অর্জনে নয়, বরং আত্মার প্রশান্তিতেই নিহিত। দুনিয়ার ব্যস্ততা, কর্মচাঞ্চল্য ও প্রতিযোগিতা মানুষকে ধীরে ধীরে ভেতর থেকে শূন্য করে তোলে। যখন অন্তর কলুষিত হয়ে পড়ে, তখন অহংকার, হিংসা, লোভ, হিংস্রতা, দুশ্চিন্তা ও হতাশা তাকে ঘিরে ধরে। মানুষ যত বেশি জাগতিক অর্জন করে, তত বেশি তার ভেতরে এক অদৃশ্য শূন্যতা জন্ম নেয়। আধুনিক মনোবিজ্ঞানের ভাষায় বলা যায় — মানুষ তখন "আধ্যাত্মিক দারিদ্র্যে" আক্রান্ত হয়। এই আধ্যাত্মিক দারিদ্র্যই তাকে ক্লান্ত, অবসন্ন ও...